ব্যান্ড পার্টি, সানাই

*

আমাদের আরো কিছু সেবা

  • স্টেজ ডেকোরেশন,
  • প্রবেশ পথ ডেকোরেশন,
  • ডালা সেট,
  • চেয়ার রিবন
  • কার/বাসর ডেকোরেশন
  • হেড টেবিল ডেকোরেশন,
  • ফটোগ্রাফী
  • ভিডিওগ্রাফী
  • কাওয়ালী
  • পুঁথি পাঠ
  • জারী/কবি গান
  • সাপের খেলা
  • বানরের নাচ
  • রেশমী চুড়ি
  • বায়োস্কোপ
  • রকমারি পিঠা
  • ফুসকা/জিলাপি শপ

যে বিষয় গুলো বিবেচনায় আনতে হবে

প্রাচীনকাল থেকেই এদেশে সংগীত অনুশীলন হয়ে আসছে। গুপ্ত, পাল ও সেন রাজাদের বাজত্বকালে বাংলাদেশে পদ্ধতিগত ভাবেই সংগীতের অনুশীলন হতো। লক্ষ্মণ সেনের সময় সমুদ্র গুপ্তের বীণাবাদনে রাজসভা মূর্ত হতো। তাঁর উচ্চমানের বাদন তখনকার সংগীত সম্রাটদেরও তাঁদের নিজ দক্ষতার বিষয়ে কুণ্ঠিত করত, সে কথা তাম্রশাসনে উলেস্নখ আছে। লক্ষ্মণ সেনের দরবারে খৃষ্টীয় বারো শতকে পদ্মা বাই গান্ধার রাগ পরিবেশন করে সভাকে বিমোহিত করেছিলেন এবং সেই সময় দরবারের সংগীতাচার্য কবি জয়দেবের গীতগোবিন্দ, খাম্বাজ, গান্ধার প্রভৃতি রাগ উপমহাদেশের সর্বত্র গাওয়া হতো। তারই পাশাপাশি বাংলাদেশ তার নিজস্ব একটি সুরের ধারা সর্বকালেই জাগরুক রেখেছিল। এই সুরধারা ‘মনসা মঙ্গলে’ তথা ‘বেহুলা কাব্যে’ বাঙ্গাল রাগ নামে উলেস্নখ করা হয়েছে, যা আমাদের কাছে রাগ ভাটিয়ালি নামে পরিচিত।

ঢাকার কাওয়ালির ইতিহাস

ওস্তাদ আমির খসরু দীর্ঘদিন ঢাকায় অবস্থান কালে কাওয়ালিকে প্রতিষ্ঠিত করেন। ঢাকায় মূলত বিভিন্ন দরগার মাধ্যমে কাওয়ালি গানের সূচনা ঘটে। আগে শুধু হিজরি বর্ষপঞ্জির রজব মাসজুড়ে শোনা যেত কাওয়ালি গান। পরে ঢাকার নবাবদের পৃষ্ঠপোষকতায় এ গানের প্রসার ঘটে। নবাবদের কারণে কাওয়ালি সংগীত ধর্মীয় গণ্ডি ছেড়ে সামাজিক অনুষ্ঠানে স্থান করে নেয়।

সৌখিনতা ও আভিজাত্য

আপনার অনুষ্ঠানকে সৌখিন, আভিজাত্য শৈল্পিক করার জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন নেই। সিদ্ধান্তের সামান্য পরিবর্তনেই আপনার অনুষ্ঠানের অন্যরকম মাত্রা যোগ করে ফেলতে পারেন। রাতের যে কোনো অনুষ্ঠান আরও বেশি আনন্দঘন হয়ে উঠবে মোহনীয় আলোর প্রভাবে।

কাওয়ালি প্রতাপ ছিল ৭০-এর দশক পর্যন্ত

সুবেদার ইসলাম খাঁ চিশতি ছিলেন সম্রাট আকবরের পীর সাহেব ফতেপুর সিক্রি নিবাসী হযরত সেলিম চিশতির পুত্র। সে ঘরানার রেশ ধরে চিশতিয়ার তরিকায় প্রায় ৮০০ বছরের ধারাবাহিকতায় হিন্দুস্তানি ভাষাভাষী সমৃদ্ধ ঢাকায় সহস্রাধিক পীর-দরবেশের আগমন ঘটেছে। তাদের দরগা খানকায় দিবারাত্রি কাওয়ালি চর্চার সুবাদে ঢাকাবাসীরাও কাওয়ালির ভালো সমঝদার হয়ে উঠেছিল। খাজা বাবার ওরস ও বিয়ে-শাদি উৎসবে কাওয়ালি প্রতাপের সাথে টিকে ছিল ১৯৭০-এর দশক পর্যন্ত।

আমাদের Expert পরামর্শ নিন

নিঃসকোচে আমাদের জানান। আমাদের অভিজ্ঞ প্রতিনিধি আপনাকে সঠিক পরামর্শ দিতে সদা প্রস্তুত। আমাদের ফোন করুন-০১৬২৭-৩৫৫৩৮৩/২,আমরা বিশ্বাস করি মানবজীবনে শিল্পরস এবং নান্দনিকতার কোনো বিকল্প নেই। আবার নান্দনিকতার আবেশহীন শিল্প কোনো উৎকৃষ্ট শিল্প হতে পারে না। কিন্তু নান্দনিকতা ব্যপারটা যেহেতু নৈর্ব্যক্তিক তাই আমরা পুরানো ঐতিহ্যের শৈল্পিক উপস্থাপনের মাধ্যমে মনের আবেগময় অনুভূতি ফুটিয়ে তুলে আপনার অনুষ্ঠানকে আরো প্রানবন্ত করে তুলবে।

হিন্দি গানে নেচে আনন্দ-উল্লাস করা আভিজাত্য নয়

  মোঘল সাম্রাজ্যের অনেক আগে থেকেই বাংলার ধনী পরিবারের বিয়েতে সানাইয়ের ব্যবহার করা হতো। ধনীবৃত্তের কিংবা প্রাচুর্যের প্রতিচ্ছায়া ছিলো বিয়েতে সানাইয়ের ব্যবহার। কোনো হিন্দু-মুসলিম নয়। সানাই বাদকের উপস্থিতি ছিলো সব ধর্মাবলম্বীদের বিয়ের অনুষ্ঠানেই। বিয়ে বাড়িতে সানাইয়ের ব্যবহার ছিলো রেওয়াজের মতো। সানাইয়ের বাদকের এতো চাহিদা ছিলো যে তাদের অনুষ্ঠানের কয়েক মাস আগে থেকেই বুকিং দিয়ে রাখতে হতো। সানাইয়ের বদলে ভারতীয় গানে নেচে আনন্দ-উল্লাস করাই যেন এখন বিয়ের অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ। সানাইয়ের সুরের মূর্ছনাকে বর্জন করে প্রতিবেশী দেশের গানে আনন্দ করা আভিজাত্যের পরিচয় কি ভাবে হয়?

আমরা আছি

২৪ ঘন্টা ৩৬৫ দিন

আমাদের ই-মেইল
info@bmsrental.com

 

আমাদের ফোন

০১৬২৭-৩৫৫-৩৮২/৩

error: Content is protected !!